বিশ্বাসের কবরস্থান

বিশ্বাসের কবরস্থান

বিশ্বাসঘাতকতা আসলে হঠাৎ হয় না।
এটা ধীরে ধীরে জন্ম নেয় 
অতিরিক্ত বিশ্বাস থেকে,
অতিরিক্ত আপন ভাবা থেকে,
আর সেই মানুষটার উপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করা থেকে।

সবচেয়ে বেশি ভাঙে তখন,
যখন বুঝতে পারো 
যে মানুষটার কাছে তুমি নিজের দুর্বলতা লুকাওনি,
সেই মানুষটাই একদিন তোমার ভাঙনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অচেনা কেউ আঘাত দিলে মানুষ রাগ করে।
কিন্তু নিজের মানুষ আঘাত দিলে মানুষ চুপ হয়ে যায়।
কারণ সেখানে রাগের থেকেও বেশি থাকে হতাশা।
একটা প্রশ্ন বারবার মাথায় ঘুরতে থাকে 
‘তুইও পারলি?’

কিছু মানুষ জীবনে আসে শান্তি হয়ে,
তারপর একদিন ঝড় হয়ে সবকিছু এলোমেলো করে চলে যায়।
আর মজার ব্যাপার হলো,
যে মানুষটা ভেঙে যায় সেই রাত জেগে কাঁদে
আর যে ভেঙে দেয়, সে ঠিকই ভালো থাকে।

তারপর থেকে মানুষ বদলে যায়।
আগের মতো আর কাউকে নিজের ভেতরে ঢুকতে দেয় না।
হাসে, কথা বলে, পাশে থাকে 
কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা দূরত্ব রেখে দেয়।

কারণ কিছু ক্ষত রক্ত ঝরায় না,
শুধু মানুষটার ভেতরের কোমল অংশটাকে মেরে ফেলে।

আর সবচেয়ে কষ্টের সত্যিটা হলো 
মানুষ শত্রুর জন্য না,
নিজের মানুষের বিশ্বাসঘাতকতার জন্যই সবচেয়ে বেশি বদলে যায়।

.Tamim Khan.

Comments

No comments yet. Be first.

Please log in to comment.